How to Disable Facebook Seen Option in Chat
To Disable Facebook Seen Option in Chat You Just Need to Download an
Unseen Extension For Your Web browser and it will Completely Disable the
Seen Option in Your Facebook Chat.
For Mozila:
Download Facebook unseen addon-
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/unseen-fb
For chorme:
Download Facebook unseen addon-
https://chrome.google.com/webstore/detail/fb-unseen/ihcedcpmfdpjijiamkaeaefgfagnnpei?hl=en
For Mozila:
Download Facebook unseen addon-
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/unseen-fb
For chorme:
Download Facebook unseen addon-
https://chrome.google.com/webstore/detail/fb-unseen/ihcedcpmfdpjijiamkaeaefgfagnnpei?hl=en
হাকিং এর কিছু বেসিক বা সংজ্ঞা
হ্যাকারঃ
~~~~~
সাধারণ অর্থে হ্যাকিং বলতে বোঝায় অন্যের অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিগত কোন তথ্য বা ব্যক্তিগত কোন প্রোফাইলে প্রবেশ করা বা নজরদারই করা। ধরা যাক আপনি একটি ঘর তালা দিয়ে রেখেছেন এবং অপর কোন ব্যক্তি তা ভেঙ্গে আপনার ঘরে প্রবেশ করলো, ব্যাপারটি আসলে এরকম। যে ব্যক্তি হ্যাকিং করতে পারেন এবং এ বিষয় সম্পর্কে অভিঙ্গতা রাখেন তাকে হ্যাকার বলে।
ক্র্যাকিং-
ক্র্যাকারঃ
~~~~~
ক্র্যাকিং বলতে বোঝায় অনুমতি ছাড়া কপি রাইট প্রটেক্ট সফটওয়্যার এর কোড ভেঙ্গে ফেলা। ধরা যাক আপনি একটি ঘর তালা দিয়ে রেখেছেন এবং অপর কোন ব্যক্তি তালা না ভেঙ্গে আপনার ঘরের পাশে মাটি খুঁড়ে একটি পথ বেড় করলো যাতে তালা না ভেঙ্গে আপনার ঘরে অনায়াসে প্রবেশ করা যায়। যে ব্যক্তি ক্র্যাক করতে পারেন এবং এ বিষয় সম্পর্কে অভিঙ্গতা রাখেন তাকে ক্র্যাকার বলে। বিভিন্ন প্যাচ, O/S পাইরেট উইন্ডোজ সিডি, প্রফেশনাল অ্যান্টি ভাইরাসের ফ্রি সিরিয়াল কি এর পিছনে ক্র্যাকিং-ক্র্যাকার এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আবার,
বৈশিষ্টগত দিক থেকে সাধারণ ভাবে সকল হ্যাকারকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: -
১. নিউবি
২. সাইবারপান্ক
৩. কোডার
৪. সাইবার টেররিস্ট
৫. সিকিউরিটি প্রফেশনাল
১. নিউবিঃ এদের হ্যাকিং সম্পর্কে স্বল্প ধারণা থাকে। অন্য হ্যাকারদের তৈরি কৃত সফটওয়্যার ও বিভিন্ন টিকস খাটিয়ে এরা হ্যাকিং করে থাকে।
উদাহরনঃ পিশিং বা কি-লগার ব্যবহার করতে পরেন এরকম হ্যাকার।
২. সাইবারপান্কঃ নিউবি শ্রেণীর হ্যাকারদের উপরের স্তরের হ্যাকারদের কে সাইবারপান্ক শ্রেণীর হ্যাকার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
উদাহরনঃ রিমটি কি-ইলগার বা অ্যাডমিনেস্টর রিমটি ইলগার ব্যবহার করতে পরেন এরকম হ্যাকার।
৩. কোডার: কোডার শ্রেণীর হ্যাকাররা হলো প্রোগ্রামার। এদের তৈরিকৃত বিভিন্ন সফটওয়্যার নিউবি ও সাইবারপান্ক শ্রেণীর হ্যাকারা ব্যবহার করে।
উদাহরনঃ প্রোগ্রামার এবং ওয়েব হ্যাকিং এ পারদর্শীব্যবহার এরকম হ্যাকার।
৪. সাইবার টেররিস্টঃ এ শ্রেণীর হ্যাকারা সবচেয়ে উচ্চ শ্রেণীর হ্যাকার। এদেরকে প্রফেশনাল হ্যাকারও বলা হয়। এরা সব ধরনের হ্যাকিং এ পারদর্শী। ডাটাবেস বা নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশে এদের ভাল ধারনা থাকে। এরা বেশিরভাগ সময় আনইথিক্যাল হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এদের তৈরি কৃত ওয়েব হ্যাকিং এ প্রয়োজনীয় এক্সপ্লোইট /Exploit উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করা হয়।
উদাহরনঃ প্রোগ্রাম, হ্যাকিং, ক্রাকিং এবং এক্সপ্লোইট /Exploit তৈরিতে পারদর্শী এরকম হ্যাকার।
৫. সিকিউরিটি প্রফেশনাল: সাইবার টেররিস্ট শ্রেনীর হ্যাকারদের ইথিক্যাল রূপকে সিকিউরিটি প্রফেশনাল শ্রেণীর হ্যাকার বলা হয়।
উদাহরনঃ প্রোগ্রাম, হ্যাকিং, ক্রাকিং এবং এক্সপ্লোইট /Exploit উদ্ভাবনে পারদর্শী এরকম হ্যাকার।
~~~~~
সাধারণ অর্থে হ্যাকিং বলতে বোঝায় অন্যের অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিগত কোন তথ্য বা ব্যক্তিগত কোন প্রোফাইলে প্রবেশ করা বা নজরদারই করা। ধরা যাক আপনি একটি ঘর তালা দিয়ে রেখেছেন এবং অপর কোন ব্যক্তি তা ভেঙ্গে আপনার ঘরে প্রবেশ করলো, ব্যাপারটি আসলে এরকম। যে ব্যক্তি হ্যাকিং করতে পারেন এবং এ বিষয় সম্পর্কে অভিঙ্গতা রাখেন তাকে হ্যাকার বলে।
ক্র্যাকিং-
ক্র্যাকারঃ
~~~~~
ক্র্যাকিং বলতে বোঝায় অনুমতি ছাড়া কপি রাইট প্রটেক্ট সফটওয়্যার এর কোড ভেঙ্গে ফেলা। ধরা যাক আপনি একটি ঘর তালা দিয়ে রেখেছেন এবং অপর কোন ব্যক্তি তালা না ভেঙ্গে আপনার ঘরের পাশে মাটি খুঁড়ে একটি পথ বেড় করলো যাতে তালা না ভেঙ্গে আপনার ঘরে অনায়াসে প্রবেশ করা যায়। যে ব্যক্তি ক্র্যাক করতে পারেন এবং এ বিষয় সম্পর্কে অভিঙ্গতা রাখেন তাকে ক্র্যাকার বলে। বিভিন্ন প্যাচ, O/S পাইরেট উইন্ডোজ সিডি, প্রফেশনাল অ্যান্টি ভাইরাসের ফ্রি সিরিয়াল কি এর পিছনে ক্র্যাকিং-ক্র্যাকার এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আবার,
বৈশিষ্টগত দিক থেকে সাধারণ ভাবে সকল হ্যাকারকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: -
১. নিউবি
২. সাইবারপান্ক
৩. কোডার
৪. সাইবার টেররিস্ট
৫. সিকিউরিটি প্রফেশনাল
১. নিউবিঃ এদের হ্যাকিং সম্পর্কে স্বল্প ধারণা থাকে। অন্য হ্যাকারদের তৈরি কৃত সফটওয়্যার ও বিভিন্ন টিকস খাটিয়ে এরা হ্যাকিং করে থাকে।
উদাহরনঃ পিশিং বা কি-লগার ব্যবহার করতে পরেন এরকম হ্যাকার।
২. সাইবারপান্কঃ নিউবি শ্রেণীর হ্যাকারদের উপরের স্তরের হ্যাকারদের কে সাইবারপান্ক শ্রেণীর হ্যাকার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
উদাহরনঃ রিমটি কি-ইলগার বা অ্যাডমিনেস্টর রিমটি ইলগার ব্যবহার করতে পরেন এরকম হ্যাকার।
৩. কোডার: কোডার শ্রেণীর হ্যাকাররা হলো প্রোগ্রামার। এদের তৈরিকৃত বিভিন্ন সফটওয়্যার নিউবি ও সাইবারপান্ক শ্রেণীর হ্যাকারা ব্যবহার করে।
উদাহরনঃ প্রোগ্রামার এবং ওয়েব হ্যাকিং এ পারদর্শীব্যবহার এরকম হ্যাকার।
৪. সাইবার টেররিস্টঃ এ শ্রেণীর হ্যাকারা সবচেয়ে উচ্চ শ্রেণীর হ্যাকার। এদেরকে প্রফেশনাল হ্যাকারও বলা হয়। এরা সব ধরনের হ্যাকিং এ পারদর্শী। ডাটাবেস বা নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশে এদের ভাল ধারনা থাকে। এরা বেশিরভাগ সময় আনইথিক্যাল হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এদের তৈরি কৃত ওয়েব হ্যাকিং এ প্রয়োজনীয় এক্সপ্লোইট /Exploit উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করা হয়।
উদাহরনঃ প্রোগ্রাম, হ্যাকিং, ক্রাকিং এবং এক্সপ্লোইট /Exploit তৈরিতে পারদর্শী এরকম হ্যাকার।
৫. সিকিউরিটি প্রফেশনাল: সাইবার টেররিস্ট শ্রেনীর হ্যাকারদের ইথিক্যাল রূপকে সিকিউরিটি প্রফেশনাল শ্রেণীর হ্যাকার বলা হয়।
উদাহরনঃ প্রোগ্রাম, হ্যাকিং, ক্রাকিং এবং এক্সপ্লোইট /Exploit উদ্ভাবনে পারদর্শী এরকম হ্যাকার।
ফ্রী এসএমএস করুন যেকোনো মোবাইলে শুধু নেটের এর মাধ্যমে
আসসালামু আলাইকুম । আসা করি আপনারা সকলে ভাল আছেন । এবার আমার কথা বলি ।
আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি । আপনারা যারা আমার মতই ছাত্র তাদের জন্য এই
ট্রিক্স কারন তারা ইচ্ছা মত কাউকে এসএমএস করতে পারেন না । তাই আজ আমি
আপনাদের জন্য আরও একটা ট্রিক্স ফ্রী নিয়ে এসেছি । এই ট্রিক্স দিয়ে আপানারা
ফ্রী এসএমএস করতে পারবের যেকোনো নাম্বারে । কোন টাকা লাগবে না । এইটা শুধু
আমাদের বাংলাদেশের জন্য । অন্য কোন দেশের জন্য নয় । প্রথমে আপনি
এখানে
অর
এখানে
যান তারপর সেখানে দেখতে পাবেন From , Destination , Number , Messege , From এ আপনি আপনার মেসেজ টা লিখবেন এবং লেখা শেষে একটা ডট (.)এর পর আপনার নাম লিখবেন কারন যার কাছে আপনার মেসেজ যাবে তার মোবাইলে আপনার নাম উঠবে না । আপনাকে নাও চিনতে পারে । এরপর সেন্ড এসএমএস এ ক্লিক করুন । আপানার এসএমএস ২ – ৩ সেকেন্ড এ পছে যাবে আপনার কাঙ্ক্ষিত নাম্বারে । এইতো আপনার কাজ শেষ । আসা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে ।
এখানে
অর
এখানে
যান তারপর সেখানে দেখতে পাবেন From , Destination , Number , Messege , From এ আপনি আপনার মেসেজ টা লিখবেন এবং লেখা শেষে একটা ডট (.)এর পর আপনার নাম লিখবেন কারন যার কাছে আপনার মেসেজ যাবে তার মোবাইলে আপনার নাম উঠবে না । আপনাকে নাও চিনতে পারে । এরপর সেন্ড এসএমএস এ ক্লিক করুন । আপানার এসএমএস ২ – ৩ সেকেন্ড এ পছে যাবে আপনার কাঙ্ক্ষিত নাম্বারে । এইতো আপনার কাজ শেষ । আসা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে ।
Subscribe to:
Posts (Atom)





